আপনার মোবাইলটি নিরাপদ রাখবেন যেবাবে।

আজকাল আমাদের দৈনন্দিন জীবনের
অংশই যেন হয়ে গেছে স্মার্টফোন আর
ট্যাবলেট কম্পিউটার।
মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারও
বেড়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি।
দ্রুতগতির এসব ডিভাইস ব্যবহার করার সময় ব্যবহারকারী তাঁর অজান্তেই
ছেড়ে যাচ্ছেন ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ
বিভিন্ন তথ্য।
আর এসব ব্যক্তিগত তথ্য
বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের
মাধ্যমে পাচারও হয়ে যাচ্ছে।
কীভাবে মোবাইল ডিভাইস নিরাপদে ব্যবহার করবেন? জার্মান
ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের
দেওয়া কনজ্যুমার প্রোটেকশন-সংক্র
গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পরামর্শ এ
ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে।
অ্যাকসেস
প্রোটেকশন ব্যবহার করুন: সিম কার্ডের পিন নম্বর ও ডিভাইসের লকআউট কোড
অচল করে রাখবেন না।
আগে থেকেই
ডিভাইস নির্মাতাদের সেট
করে রাখা লকআউট কোড পরিবর্তন
করে নিন এবং মাঝে মাঝে এই কোড
পরিবর্তন করুন।
ওয়্যারলেসসার্ভি স অচল করে রাখুন।
যদি মোবাইল ফোন ও
ট্যাবলেটে ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই
প্রয়োজন না পড়ে, তবে তা বন্ধ
করে রাখুন।
ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ সচল
করে রাখলে এর সুযোগ
নিয়ে হ্যাকাররা আক্রমণ করে বসতে পারে। হটস্পট
সার্ফিং বা পাবলিক ওয়াই-ফাই
নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ব্রাউজিংয়ের
সময় সতর্ক থাকুন।
লোকেশন নিয়ন্ত্রণ
করুন: প্রোফাইলে লোকেশন
বা ব্যবহারকারীর অবস্থান জানানোর বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
ফোনের
জিপিএস সার্ভিস প্রয়োজন ছাড়া বন্ধ
করে রাখুন।
খুব বেশি প্রয়োজন
ছাড়া যেসব অ্যাপ্লিকেশন
ব্যবহারকারীর অবস্থানের তথ্য চায়,
সেগুলো এড়িয়ে যান।
বিশ্বাসযোগ্য সূত্রের অ্যাপ্লিকেশন চালু করুন:
ো প্রচুর তথ্য চায়।
নিজের ঝুঁকি কমাতে অ্যাপ্লিকেশন
বিষয়ে তথ্য জেনে নিন।
অনলাইনে অ্যাপ্লিকেশন নির্মাতা ও
অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারীদের মন্তব্য জেনে নিন। যদি অ্যাপ্লিকেশন চালুর
ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য দাবি করে,
তবে তা এড়িয়ে যান।
নিরাপত্তা হালনাগাদ রাখুন:মোবাইল
অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশনের
সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করুন বা হালনাগাদ রাখুন। মোবাইল
হারিয়ে গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন:
যদি মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়
বা চুরি হয়, তবে মোবাইল নেটওয়ার্ক
প্রোভাইডারের সঙ্গে যোগাযোগ
করে দ্রুত সিম কার্ড বন্ধ করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *