গুগল ছাড়া ব্লগের ট্রাফিক বাড়ানোর আট উৎস

এটি নিয়ে কোন সন্দেহ নেই যে ব্লগের ট্রাফিক বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুগল সার্চ একটি অসাধারন উপায়। কারন এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো হাজার হাজার ইউনিক ট্রাফিক পায় গুগল সার্চ থেকে। কিন্তু গুগল দিন দিন যে হারে কঠোর হচ্ছে তাতে গুগল থেকে ট্রাফিক আসা কমে যাচ্ছে । কিছুদিন আগেও গুগল এ পেজ রেঙ্ক পাওয়া তেমন কোন ব্যাপার ছিল না কিন্তু বর্তমানে গুগল পান্ডা এবং প্যাঙ্গুইন এর মত কিছু শক্তিশালী আপডেট এর কারনে এখন গুগল সার্চ এ ভাল অবস্থান পাওয়া বেশ কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এক্ষেত্রে অপেশাদার ব্লগাররা সবচেয়ে বেশী ভুগছে। তবে পেশাদার সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজারদের কিন্তু তেমন কোন অসুবিধা হচ্ছে না বলা যাবে না। তারাও কম বেশী ভুগছেন। কারন একসময় তেমন মানসম্মত নয় এমন ওয়েবসাইটকেও খুব সহজে সার্চে ভাল অবস্থানে এনে দিতে পেরেছেন। কিন্তু এখন আর এটা তেমন সম্ভবপর নয়।
গুগল এর নতুন আপডেট এ “কন্টেন্ট ইজ কিং” নীতিকে প্রাধান্য দিয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় কিছু ব্লগার এই নীতিকে ঠিকভাবে ফলো করতে পারছে না। তাছাড়া কন্টেন্ট রাজা হলেও সঠিক পরিচর্যার অভাবে সেটি যত মানসম্মতই হোক না কেন, ভাল অবস্থানে যেতে পারবেনা। উদাহরন স্বরুপ বলা যায় অক্সিজেন এবং হাইড্রোজেনকে ১০০ বছর ধরে একসাথে ফেলে রাখলেও পানি তৈরি হবে না, যদি না সঠিক প্রভাবক থাকে।ঠিক এমনই অবস্থা কন্টেন্ট এর। সঠিক ভাবে অপ্টিমাইজ করতে না পারলেও সার্চ এ ভাল অবস্থান পাবে না। আমি আসলে এটি বুঝাতে চেয়েছি যে কন্টেন্ট যত ভাল মানের ই হোক না কেন যদি সঠিকভাবে এসইও না করা হয় তবে কোন লাভ ই হবে না। আর সঠিক ভাবে এসইও করা এখন আর সহজ নয়(প্রফেশনালদের ব্যাতিত), একটু নড় চড় হলেই ত গুগলের পান্ডা আর প্যাঙ্গুইন মিলে আপনাকে ব্যান করে দিবে অর্থ্যাৎ ইউ আর আউট অফ গুগল সার্চ!!!

গুগলের রিসেন্ট আপডেটে দেখা গেছে বেশ কিছু ব্লগ/ওয়েবসাইট যেগুলোর অবস্থান খুবই ভাল ছিল, তাদের পেজ রেঙ্ক হারিয়েছে। তাই এটি সহজেই বোঝা যাচ্ছে গুগল সার্চ থেকে আসা ট্রাফিক এর উপর নির্ভর করাটা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। আর তাই আপনার ওয়েবসাইট/ব্লগের জন্য ট্রাফিক সোর্স হিসেবে সার্চ রেজাল্ট কে শুধু গুরুত্ব না দিয়ে অন্যান্য মাধ্যমগুলোকেও প্রাধান্য দেওয়া উচিত। তাছাড়া অনেক সময় দেখা যায় গুগল সার্চ এ ওয়েবসাইট ইন্ডেক্স না হওয়ার ফলে অনেকেই হতাশ হয়ে পরেন, এক্ষেত্রে নিচে বর্নিত ট্রাফিক সোর্স গুলোকে ফলো করলে আশা করি হতাশ হবেন না।
[বিঃদ্রঃ যাদের ওয়েবসাইট গুগল এ ভাল অবস্থানে আছে এবং যাদের এডসেন্স আছে তারা এগুলো না ফলো করলেও পারেন]

বর্তমানে অধিকাংশ মানুষই আধুনিক যোগাযোগ ব্যাবস্থার প্রতি ঝোকছেন। মানে ফেসবুক,টুইটার,মাইস্পেস,গুগল প্লাস,পিইন্টারেস্ট সহ বহু সোসিয়াল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইটকে তাদের যোগাযোগ এর মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আর এই সুযোগে সোসিয়াল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট গুলোর মাধ্যমে বাড়িয়ে নিতে পারেন আপনার ব্লগের ট্রাফিক। আপনার সাইট গুগল এ ইন্ডেক্স হোক আর না হোক এই মাধ্যম থেকে আপনি পেতে পারেন বড় ধরনের ট্রফিক। তাছাড়া সোসিয়াল বুকমার্কিং ওয়েবসাইট গুলো হতে পারে আপনার ট্রাফিকের অন্যতম সোর্স। অনেকেই আছেন যারা স্টাম্বলআপন,ডিগ,রেড্ডিট,ফেসবুক,টুটার,গুগল প্লাস থেকে এত বেশী পরিমানে ট্রাফিক পান যা চোখ কপালে উঠার মতোই। তাছাড়া আপনার সাইট গুগল ব্ল্যাক লিস্ট এ চলে গেলেও ট্রাফিক এর ক্ষেত্রে এটিই হতে পারে অন্যতম সমাধান।
কিছু সোসিয়াল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইটের লিস্ট

http://facebook.com

http://plus.google.com

http://linkedin.com

http://vk.com

http://myspace.com

http://bebo.com

http://hi5.com

এবং কিছু বুকমার্কিং ওয়েবসাইটের লিস্ট

http://digg.com

http://diigo.com

http://reddit.com

http://stumbleupon.com

http://blinklist.com

Author: drmasud

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *