ডেটাবেজ এর ব্যাবহারের ক্ষেত্র গুলো কি কি?

ডেটাবেজ এর ব্যবহার ,ডেটাবেজের ব্যবহার

ডাটাবেজে প্রসাশনিক তথ্য এবং বিশেষায়িত ডাটা থাকে যেমন অর্থনৈতিক মডেলসমূহ। ডাটাবেজের ব্যবহারের উদাহরণ হল কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত লাইব্রেরি ব্যবস্থা, ফ্লাইট সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পার্টস ইনভেন্টরি সিস্টেম।
সর্ব প্রথম ডেটাবেজ ব্যবহারকারীদের মধ্যে বৈমানিক কাজের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ডেটাবেজ অন্যতম। সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের টার্মিনালগুলো একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজের সাথে যুক্ত থাকত ফোন লাইন বা অন্যান্য ডাটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।

ডেটাবেজ এর ব্যাবহারের ক্ষেত্র গুলো :

  • ব্যাংকিং: ক্রেতা, একাউন্ট, ঋণ এবং লেনদেনের তথ্যের জন্য
  • বিমান: আসন সংরক্ষণ, সময়সূচির তথ্য ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে।
  • মানব সম্পদ: কর্মচারীদের তথ্য, বেতন, ট্যাক্স, ভাতা, চেক প্রদানের তথ্য এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধার তথ্য ধারন।
  • বিশ্ববিদ্যালয়: ছাত্র-ছাত্রীদের তথ্য, কোর্সের নিবন্ধন ও গ্রেড জানার জন্য ক্রেডিট
  • কার্ড লেনদেন: ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ক্রয়, লেনদেন ও মাসিক বিবরণী প্রস্তুুতের উদ্দেশ্যে
  • টেলিকমিউনিকেশন: কলের তথ্য রাখার জন্য, মাসিক বিল প্রস্তুত, প্রিপেইড কল কার্ডের ব্যালেন্স রাখা এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্কের তথ্য সংরক্ষনের জন্য।
  • আর্থিক: আর্থিক তথ্য যেমন বিক্রয়, ক্রয়, জমা, স্টক এবং বন্ডের হিসাব সংরক্ষণ
  • বিক্রয়: ক্রেতা, পণ্য, ক্রয়ের তথ্য ধারনের উদ্দেশ্যে
  • প্রস্তুতকরণ: সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং কারখানায় উৎপাদনের তথ্য ধারন, ওয়ারহাউজ বা গুদামে ইনভেন্টরি বা ম্যাটেরিয়ালের তথ্য, ফরমায়েসকৃত পণ্যের তথ্য সংরক্ষণ ইত্যাদি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *