দামী মোবাইল ফোন পরোক্ষ মৃত্যু ফাঁদ

রেমী দামী মোবাইল ব্যবহার করবেন, একটু ভাবুন।আপনি কি জানেন মাত্র ১৫ মিনিট মোবাইল ফোনে কথা বললে আপনার মস্তিষ্কে কতখানি চাপ পড়ে?  যেহেতু ছবি অনেক বিষয় পরিষ্কার করে সহজে তাই নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন।

1

বাম পাশের ছবিটি মস্তিষ্কের থার্মোলজিক্যাল চিত্র যাতে মোবাইলের ক্ষতিকর রেডিয়েশনের অস্তিত্ব নেই। আর ডান পাশের ছবিটি ১৫ মিনিট মোবাইল ফোনে কথা বলার পর  মস্তিষ্কের থার্মোলজিক্যাল চিত্র। যাতে দেখা যাচ্ছে হলুদ ও লাল রংয়ের অংশগুলো থার্মাল (তাপ)। যা শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মাত্র ১৫ মিনিট মোবাইল ফোনে কথা বলাতে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের উপর এই নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

শিশুদের ক্ষেত্রে এই প্রভাব আরো ভয়াবহ। পাশের ছবিটিতে এই ভয়াবহতার স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

জিএসএম মোবাইল ফোনের ৫০০ মেগা হার্টজ ফ্রিকোয়েন্সির কারনে বয়স অনুপাতে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশনের ক্ষতির মাত্রার চিত্র দেখানো হয়েছে এতে।

তবে আধুনিক মোবাইল কোম্পানীগুলো, যেমন  iphones, blackberry-সহ অন্যান্য smart phone আরো উচ্চ মাত্রার তরঙ্গ তথা ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে। যত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি তত বেশী ক্ষতি।

অতএব সাবধান হোন মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে।

Author: drmasud

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *