নতুনদের আগ্রহ বাড়াতে মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)

নতুনদের আগ্রহ বাড়াতে ভোটার হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সহযোগিতা চাওয়া হবে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।

election-commission-SMSelection-commission-SMS

ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের প্রথম দফায়  দেশের ১৮১ টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শতকরা একভাগ থেকে দু’ভাগ নতুন ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছে । দ্বিতীয় দফা তালিকা হালনাগাদকে সামনে রেখে নতুন ভোটারদের তালিকাভুক্ত করতে কি করণীয় তা নির্ধারণ করতে আজ (মঙ্গলবার) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), কমিশনারগণ, ইসি সচিবসহ নির্বাচন কমিশনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বৈঠক করেন। বৈঠকে সবার মতামত নিয়ে নতুন ভোটার বাড়ানোর জন্য একটি কৌশলপত্র তৈরি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, এছাড়া যেসব এলাকায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম চলবে সেসব এলাকার শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে গিয়েও প্রচার-প্রচারণা চালানোর নির্দেশ দেয়া হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এনজিওর মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান,৪৬ লাখ নতুন ভোটারকে তালিকাভুক্ত করতে প্রথম দফার (গত ১৫ মে) হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু ভোটারদের তেমন সাড়া না মেলায় সিইসিসহ কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে হতাশা দেখা দিয়েছে। তাই এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য এ কৌশলপত্র তৈরি করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. শাহনেওয়াজ বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের পথম দফায় প্রচার-প্রচারণা খুব কম হয়েছে। এজন্য অনেক এলাকার ভোটার বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত নন। দ্বিতীয় দফা থেকে ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।

তিনি বলেন, ভোটারগণ মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে হালনাগাদের তথ্য জানতে পারে সেজন্য বিটিআরসি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া সারা দেশে মাইকিংসহ পোস্টার-লিফলেট সাঁটানোর নির্দেশ দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

সারাদেশে তিন দফায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শেষ হবে। প্রথম দফায় ১৮১ উপজেলায়, দ্বিতীয়  দফায় ২১৮ ও তৃতীয় দফায় ১১৫ উপজেলায় হালনাগাদ কার্যক্রম চলবে। দ্বিতীয়  দফায় তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে আগামী ১৫ থেকে ২৪ জুন এবং রেজিস্ট্রেশন ১৮ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর এবং তৃতীয়  দফায় ভোটারের তথ্য সংগ্রহ হবে ১ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর।

নতুন ভোটার হতে হলে জন্ম নিবন্ধন সনদ, জমির দলিল, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, বাড়ি ভাড়ার রসিদ/বিদ্যুৎ বিলের কপি, পাসপোর্ট, পিতা/মাতা/স্বামী/স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দেখাতে হবে।

আরো কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট এ জানাবেন। ধন্যবাদ।

আমাকে ফেসবুকে পাবেন এখানে

কষ্ট করে আমার ব্লগ সাইটটি তে একবার হলেও ঘুরে আসুনে এখানে

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *