প্রাণী জগতের বিস্ময় কর এক প্রাণীঃহরিণ


হরিণ কেরভিডায়ে পরিবারের
প্রতিষ্ঠাতা স্তন্যপায়ী প্রাণী। মুজ, রেড
ডিয়ার, রেইনডিয়ার, রো এবং চিত্রল
এদের কিছু উদাহারণ। চাইনিজ ওয়াটার
ডিয়ার এবং মাদি রেইনডিয়ার জন্ম নেয়
এবং প্রতিবছর নিজের শিং নিজে নিজেই কেটে ফেলে।
এইভাবে তারা নিজেদেরকে শিং ওয়ালা পশুদের
কাছ থেকে একেবারেই বদলে ফেলে যেমন,
এন্টেলোপ; এরা সাধারণ হরিণদের মতোই।
এশিয়ার মাস্ক ডিয়ার আফ্রিকারএবং আর্দ্র ‌ ওয়াটার চেভ্রোটেইন (অথবা মাউস ডিয়ার)দের কে আসল হরিণ
ধরা হয়না কেননা তারা কেরভিডায়ে পরিবার
বাদ দিয়ে নিজেদের
আলাদা আলাদা পরিবার গঠন করে।
নিচে এদের গঠন করা পরিবারের নাম
দেওয়া হল- ১।মাস্ক ডিয়ার= মোসচিডেই এবং ২।ওয়াটার চেভ্রোটেইন=
ট্রাগুলিডেই। অর্থ “Deer” শব্দটির আসল অর্থ খুব বড়, কিন্তু
এটাই ব্যবহৃত হয়। মিডল ইংরেজিতে der
শব্দের অর্থ হচ্ছে বণ্য পশু। ১৫০০ সালে এই
শব্দটির উপর ভিত্তি করে হরিণের
ইংরেজী Deer করা হয়। Deer শব্দের
অর্থে এখনও কিছু কিছু দেশের ভাষা পশুর সাথে মিল খুঁজে পান। যেমন জার্মনের
Tier, ডাচদের Dier,
এবং স্ক্যানডিনাভিয়ান djur, dyr, d’yr.
Deer শব্দটির একবচন ও বহুবচন একই। বেশরিবাগ হরিণের
ক্ষেত্রে নরদেরকে বলা হয় buck
এবং ,মাদিদেরকে বলা হয় doe,
এবং অন্যসব বড় বড় হরিণদের
ক্ষেত্রে নরদেরকে বলা হয় stag
এবং মাদিদেরকে বলা হয় hind, এরচেয়েও বড়দের কে ডাকা হয় bull এবং cow।
‘ছোট’দেরকে বলা হয় fawn। বড়দের
বাচ্চাদের কে বলা হয় calf , আর ছোটদের
বাচ্চাকে বলা হয় kid। হরিনদের দলকে বলা হয় herd।
সূত্রঃRIYADHHOSSEN.blogspot.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *