প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) কি ? প্লেজিয়ারিজম কত ধরনের ? বিস্তারিত

প্লেজিয়ারিজম কাকে বলে ? , HSC ICT প্লেজিয়ারিজম , প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বিস্তারিত ,প্লেজিয়ারিজম কত ধরনের, Direct Plagiarism কি? , Self / Auto Plagiarism কি , Mosaic Plagiarism কি, Accidental Plagiarism কি ?

প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) : অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে বলা হয় প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলে। এছাড়াও, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা, কোন সম্পাদনাকর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াকেও প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। [সূত্র : HSC ICT Book]

Youtube এ যেমন অন্যের কন্টেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করলে Copyright Strike খেতে হয় , যার ফলে কন্টেন্ট টি অপসারণ করা হয় । এমনকি চ্যানেল ও বাতিল করা হয় । ঐটাও যেমন অপরাধ তেমনি প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism)ও একটি সাইবার অপরাধ। এটি একটি বেআইনী কাজ। এর জন্য আইন সংস্থা অপরাধীকে জরিমানা করতে পারে এবং অপরাধীর কারাদন্ডও হতে পারে।

প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) অনেক ধরনের । তার মধ্য কমন / সাধারন
প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) গুলো হলো :

  • ১. Direct Plagiarism(সরাসরি প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism)) :

হুবুহু কারো লেখা বা কাজ নিজের নামে প্রকাশ করা , সঠিক সুত্রের উল্লেখ ছাড়াই ।

  • ২. Self / Auto Plagiarism (স্ব- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) )

স্ব- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) ঘটে যখন একজন ছাত্র তার নিজের পূর্ববর্তী কাজটি জমা দেয় বা পূর্ববর্তী কাজগুলির অংশগুলি মিশ্রিত করে সংশ্লিস্ট অধ্যাপকদের/শিক্ষকদের অনুমতি ছাড়াই।

  • ৩. Mosaic Plagiarism ( মোজাইক প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) )

মোজাইক প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) হয় যখন একজন কোনো কোটেশন চিহ্ন ব্যবহার না করে কোনও উৎস থেকে সরাসরি কাজ/লেখা ব্যবহার করে , বা বাক্যাংশগুলির শব্দ কেটে/ বাদ দিয়ে সমার্থক শব্দ ব্যবহার করে একই সাধারণ কাঠামো বজায় রেখে ব্যবহার করে । কখনও কখনও একে “প্যাচ লিখন” বলা হয়, এই ধরনের কাজ ইচ্ছাকৃত হোক বা না হোক একাডেমিকভাবে অসৎ এবং শাস্তিযোগ্য – এমনকি যদি আপনি আপনার উৎসকে FootNote/পাদটীকাও করেন!

পড়ুন : Footnote কী? | Footnote এর ব্যবহার

  • ৪. Accidental Plagiarism ( দুর্ঘটনাজনিত প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) )

Accidental/দুর্ঘটনাজনিত প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) ঘটে যখন একজন ব্যক্তি তাদের উৎসগুলি উদ্ধৃত করতে অবহেলা করেন বা তাদের উৎসকে ভুলভাবে চিহ্নিত করেন বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভাষান্তর করে একই শব্দ, শব্দের গোষ্ঠী অথবা বাক্য গঠনের মাধ্যমে কোন সূত্রকে উল্লেখ / স্বীকৃতি না দিয়ে । শিক্ষার্থীদের অবশ্যই তাদের উৎসগুলি উদ্ধৃত করতে হবে এবং গবেষণা করার সময় সতর্ক এবং সঠিক নোটগুলি নিতে হবে ।

৫.Source-based Plagiarism

৬.Paraphrasing plagiarism

৭.Inaccurate Authorship

৮.Complete Plagiarism

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *