ফটোকপি মেশিন কিভাবে কাজ করে? | প্রশ্ন – উত্তর – বিস্তারিত | COMILLAIT| Bangla Technology Blog | বাংলা প্রযুক্তি ব্লগ

ফটোকপি মেশিন কিভাবে কাজ করে? | প্রশ্ন – উত্তর – বিস্তারিত

লেখক : | ০ টি কমেন্ট | 16 বার দেখা হয়েছে দেখা হয়েছে । শেয়ার করে আপনবর বন্ধুদের জানিয়ে দিন ।

অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কিভাবে কাজ করে?  (বিসিএস ১২তম )

Answer: পোলারয়েড ফটোগ্রাফ পদ্ধতিতে

 অ্যানালগ পদ্ধতি :

প্রথমত ফটোকপি মেশিনে যে গ্লাসটা থাকে সেখানে আপনি আপনার কাগজটি রাখেন। এখানে নিচে থেকে একটা আলো স্ক্যান করে সেই কাগজটিকে।আর এই সময় কি হয় জানেন ? ওই আলো আসে আপনার কাগজের ওপর আর সেখান থেকে সেটি প্রতিফলিত হয়ে চলে যায় নিচে একটি বড় ড্রামের ওপর। এখানে আপনার কাগজে যা আছে প্রতিফলিত আলো ওই একই প্যাটার্নেই থাকবে। আর কাগজ যে একটি আলো স্ক্যান করা শুরু করল ড্রামটিও ঠিক একই মুহূর্তে ঘোরা শুরু করবে।

ওই ড্রামটি ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক্যালি চার্জড অবস্হায় থাকে। এখানে কাগজের ছাপা অংশ কোন আলো প্রতিফলিত করে না। তাই এখানে ড্রামের অন্ধকার অংশ যেখানে আলো পরেনি;যে অংশে আলো পড়েনি তা পজিটিভ চার্জে চার্জিত হত। আর ফটোকপি মেশিন এর ভেতর থাকে একটি টোনার ; যা থেকে প্রতিনিয়ত কালি স্প্রে হতে থাকে । এই কালিটি নেগেটিভ চার্জে চার্জিত হয়ে থাকে। তাই এটি ড্রাম এর পজিটিভ অংশের সাথে আঠারমত আটকে থাকে। এর ভেতর যখন কাগজ ঢুকানো হয় একে পজিটিভ চার্জে চার্জিত করা হয় এবং ড্রাম থেকে কার্বন পাউডার এর প্যাটার্ন তার গায়ে তুলে আনে। এরপর গরম রোলারে কাগজকে চালিয়ে কালিকে পার্মানেন্টভাবে কাগজের গায়ে লাগিয়ে দেয়া হয়। অত:পর বেরিয়ে আসে সেই কপি হওয়া কাগজ। এই পদ্ধতিটি বহু আগে থেকে চলে আসছে। ফটোকপির এই প্রক্রিয়াটি অ্যানালগ পদ্ধতি।

স্ক্যানার কিভাবে কাজ করে?

ডিজিটাল পদ্ধতি :

বর্তমানে ধীরে ধীরে যে নতুন ফটোকপি সিস্টেমটি প্রচলিত সেটি হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতি এবং এর কনসেপ্ট একদম আলাদা। এখানে কপি হওয়া পেজ এর সাইজ সাইজ ছোট করা যায়, কালার কনট্রাস্ট বদলানো যায়। আবার তা ডিজিটালি স্টোর করে রাখাও যায়। এখানে কনসেপ্টটা পুরোপুরিভাবে ভিন্ন। এই মেশিনে যা থাকে তা হল একটি সেন্সর, যা মূলত আপনি যে কাগজ এর ফটোকপি করবেন তার একটি ছবি ক্লিক করে।এখানে প্রিন্টিং প্রোসেস একই, তবে আগের মত ওই লাইট রিফ্লেকশন প্রক্রিয়ায় বদলে এখানে করছে ডিজিটাল লেসার বা ক্যামেরা প্রক্রিয়া। এখানে কাজটি হচ্ছে সিম্পল ছবি ক্লিক করার মাধ্যমে। যা হচ্ছে একটি CCD সেন্সর এর মাধ্যমে। যার পূর্নরূপ হচ্ছে Charge Coupled Device। এটি একধরনের সেন্সর যা আগেকার ক্যামেরায় ব্যবহার করা হত। তবে বর্তমানে ক্যামেরায় BSI, CMOS এর মত আরও উন্নত উন্নত সেন্সর ব্যবহার করা হয়। তবে ফটোকপি মেশিনে CCD দিয়ে কাজ চলে যায়।

 

 

 

 

 

 

লেখাটি আপনাদের ভাল লেগেছে?
FavoriteLoadingপ্রিয় পোষ্ট যুক্ত করুন

১টি কমেন্ট করুন

*