ফ্রিলান্সিং মাষ্টার :: প্র্যাকটিকাল ফ্রিলান্সিং ক্যারিয়ার (পর্ব – ১০) | COMILLAIT| Bangla Technology Blog | বাংলা প্রযুক্তি ব্লগ

ফ্রিলান্সিং মাষ্টার :: প্র্যাকটিকাল ফ্রিলান্সিং ক্যারিয়ার (পর্ব – ১০)

লেখক : | ০ টি কমেন্ট | 206 বার দেখা হয়েছে দেখা হয়েছে । শেয়ার করে আপনবর বন্ধুদের জানিয়ে দিন ।

সুপ্রিয় পাঠকগন, আস্‌সালামুআলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহ্‌র রহমতে ভাল আছেন। আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করব, কিভাবে আপনার ওডেস্ক প্রোফাইলকে আরো সুন্দর করবেন।

গত দিন আলোচনা করা হয়েছিল কিভাবে আপনার প্রোফাইলের Objective লিখবেন। Objective তৈরী করার সময় আরো যে কয়েকটা বিষয় আপনাকে ফলো করতে হবে। তাহল-

* আপনার কাজের ক্যাটাগরির কন্ট্রাক্টারদের প্রোফাইলকে ফলো করে আপনার প্রোফাইলের অবজেক্টিভ লিখবেন।

* আপনার কাজের টাইটেল এবং স্কিলকে কেন্দ্র করে অবজেক্টিভ লিখবেন।

* কোন ধরনের কপি-পেষ্ট করবেন না।

অবজেক্টিভ সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন

Objective লিখা শেষ হয়ে গেলে পাবেন, Categories। আপনি যে যে বিষয়ে কাজ করবেন, তা এখানে দিয়ে দিবেন।

প্রথমে “Add or Edit” বাটনে ক্লিক করে ক্যাটাগরিতে যাবেন। তারপর আপনি যে যে বিষয়ের উপর কাজ করবেন, তা সিলেক্ট করে দিবেন। এখানে আপনি সর্বোচ্চ ১০টা ক্যাটাগরি যোগ করতে পারবেন। তবে একটা কথা- কোন সময়ই এমন কোন ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে দিবেন না, যা আপনি পাড়েন না। শুধুমাত্র ঐ ক্যাটাগরিই যোগ করেন যেগুলো সম্পর্কে আপনার ভাল ধারণা আছে। আর ক্যাটাগরিতে এমন কিছু দিবেন না, যা আপনার প্রোফাইলের টাইটেলের সাথে মিলে না। যেমন- আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কিত বিষয় দিয়েছেন টাইটেলে। এখন আপনার ক্যাটাগরিতে অবশ্যই গ্রাফিক্স এবং ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কিত বিষয়গুলোই সিলেক্ট করে দিবেন। এ রকম করবেন না যে- আপনি কাজ করবেন ওয়েব ডিজাইনের আর ক্যাটাগরিতে দিয়ে দিলেন Software Development এর বিভিন্ন ক্যাটাগরি। এবার আপনার নির্দ্দিষ্ট ক্যাটাগরি যোগ করার পর “Save” বাটনে ক্লিক করে বেড়িয়ে আসুন।

এখন পাবেন- “Skills”: “Skills” এর “Add” বাটনে ক্লিক করে আপনার স্কিলগুলো যোগ করুন। এখানে গাইডলাইন হচ্ছে- প্রথম অবস্থায় আপনি অতিরিক্ত স্কিল যোগ করবেন না। মাত্র ৩/৪ স্কিল দিয়ে রাখুন। ঐ বিষয়গুলো স্কিলে দিবেন, যেগুলোতে আপনি খুব দক্ষ এবং যেগুলো আপনার প্রোফাইলের সাথে ম্যাচ করে। স্কিল যোগ করা শেষ হয়ে গেলে “Save” বাটনে ক্লিক করে বেড়িয়ে আসুন।

এরপর পাবেন- Employment History । এই অংশ তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে আপনি এটাকে এড়িয়ে যেতে পারবেন না। আপনি যদি কোন কোম্পানীতে বা কোথাও কাজ করে থাকেন, তা এখানে দিয়ে দিবেন। অথবা আপনি যদি কোন ব্লগে রাইটিংয়ের কাজ করে থাকেন, তাহলে তা এখানে দিয়ে দিবেন। তবে বরাবরের মত একই কথা, কাজটা যেন আপনার প্রোফাইলের সাথে ম্যাচ হয়।

Employment History এরপরে পাবেন- Education. এখানে আপনি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতাগুলো যুক্ত করবেন। এই অংশের “Add” বাটনে ক্লিক করে আপনার Education এর বিস্তারিত যুক্ত করুন।

আজ এখানেই থাক। পোর্টফোলিওসহ অন্যান্য বিষয়গুলো কিভাবে যুক্ত করবেন তা আগামী পর্বে জানবো। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ্‌ হাফেজ।

লেখাটি আপনাদের ভাল লেগেছে?
FavoriteLoadingপ্রিয় পোষ্ট যুক্ত করুন

১টি কমেন্ট করুন

*