৫ টি ফেসবুক মার্কেটিং টিপস যা আপনার কাজে লাগতে পারে

কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন আজ আমি আপনাদের সবার সাথে ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করব আশাকরি যা আপনাদের খুব ভাল লাগতে বাধ্য করবে।

ফেসবুক অতি পরিচিত একটি নাম। ফেসবুকের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। অনলাইন জগতে যতো স্যোশাল নেটওয়ার্ক মাধ্যামগুল আছে ফেসবুক তার ভিতরে অন্যতম। অনলাইনে মার্কেটিং করার জন্য ফেসবুক অন্যতম। বিশব্যাপি ফেসবুক ব্যাবহারকারীর সংখ্যা ৭৫০ মিলিয়ন। বাংলাদেশে দিনদিন ই-কমার্স সাইটে সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়াই ফেসবুক মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব অনেক। অধিকাংশ ব্যাবসায়ী কোম্পানিগুলোই ফেসবুক ফ্যান পেজ খুলে তাদের পণ্যগুলো মার্কেটিং করে থাকে । তাই বর্তমান অনলাইন জগতে কোম্পানি প্রসর করানোর জন্য ফেসবুক একটি কার্যকারী ভূমিকা রাখতে পারে। আজকে আমি আলোচনা করব জনপ্রিয়ও ৫ টি ফেসবুক মার্কেটিং টিপসের উপর যে টিপস গুলো আজ থেকে আপনার খুব কাজে লাগতে পারে।

১। পরীক্ষা মূলকভাবে দিনের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোস্টঃ

Facebook-Engagement-posting-schedule-300x300অধিকাংশ ব্যাবসায়ী কোম্পানিগুলোই ফেসবুকে তাদের পোষ্টগুলো ট্র্যাডিশনাল বিজনেস আওয়ারে পোষ্ট করে থাকেন। কিন্তু আপনার ভিজিটরদের একটা বড় অংশ বিদেশে থাকলে তখন কি হবে  ? সেক্ষেত্রে আপনি দিনের বা রাতের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোষ্ট করে দেখতে পারেন । সেটা অবশ্যাই  ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল নিয়ে আসবে। এটা নির্ভর করবে আপানার পণ্যের ইউজারদের ধরনের উপর। আর এভাবে আপনি আপনার পোষ্টের জন্য সবচেয়ে ভাল সময় টি খুজে পেতে পারেন। তবে অবশ্যই অটোমেটেড পোষ্ট থেকে বিরত থাকা উচিত। দরকার হলে  আপনি  ফেসবুকের সিডিউল টুলটি ব্যাবহার করতে পারেন ।

২। ভিজিটরদেরকে আলোচনার সুযোগ দিনঃ

ফেসবুক মার্কেটিংয়ের আমি প্রথম যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা হল ভিজিটরদের নিয়ে। আপনি হয়ত নতুন একটি পণ্য বা নতুন কোন ডিজাইন বাজারে নিয়ে আসতে চাচ্ছেন । সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ফ্যানদের থেকে তাদের ফিডব্যাক নিতে পারেন। আপনি হয়ত তাদের মাঝে একটা জরিপ চালাতে পারেন বা ভোটের মাধ্যমে আপনার নতুন লোগোও বা পণ্যের রং সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন যা আপনাকে আপনার ব্যাবসায়কে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করবে। এটা শুধু আপনার পণ্যের  ব্র্যন্ড লয়ালিটি বাড়াবে না ,এটা আপনার ফ্যানরা কি চাচ্ছে সে সম্পর্কে ও আপনাকে একটা ধারনা দিবে।

৩। ছবি ব্যাবহার করুন :

il_340x270.532080993_22inফেসবুক মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় যে বিষয় তা মাথায় রাখতে হবে তা হল পোস্টে ইমেজ ব্যাবহার। ইমেজ সাধারণত বেশি শেয়ার করা হয়ে থাকে । এক গবেষণায় দেখা গেছে  শুধুমাত্র টেক্সট বা লিঙ্কের চেয়ে ইমেজ  পোষ্ট ২ গুন বেশি এনগ্যাগম্যান্ট পেয়ে থাকে। এজন্য আপনাকে দামি ডি এস এল আর ক্যামেরা কিনতে হবে না। আপনি আপনার স্মার্ট ফোনে ইনস্টাগ্রাম ডাউনলোড করে নিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে স্ন্যাপ নিতে এবং আপনার ফেকবুক পেজে আপলোড দিতে পারেন। শেয়ার করতে পারেন ভিডিও ।

৪। আপনি নিজে নিজের সবচেয়ে বড় ফ্যান হউনঃ

সাম্প্রতিক ট্রেন্ড বা ফ্যাড সম্পর্কে জানতে আপনার বিজনেস পেইজের বাইরের ফেসবুককে ভালভাবে বুজতে হবে। তাই যদি ইতিমধ্যেই আপনার একটি ব্যাক্তিগত একাউন্ট না থাকে আপনি আজই একটি একাউন্ট খুলে নিতে পারেন। এটা আপনাকে আপনাকে ফ্যানদের চোখে আপনার ব্যাবসায়কে দেখার সুযোগ করে দেবার পাশাপাশি আপনার কমপিটিটররা কি করছে তা দেখার এবং অন্যান্য ইউজারদের সম্পর্কে ধারনা নেবার সুযোগ করে দিবে।

৫। ফেসবুকের বাইরেও আপনার ফ্যানদের সাথে যোগাযোগ রাখুনঃ

এটা আপনি আপানর ফ্যানদের সাথে যোগাযোগ ইমেইল লিস্ট দিয়ে করতে পারেন। আপনি ইউজারদেরকে আপনার মেইল লিস্ট এ  নাম লিপিবদ্ধ করার জন্য তাদেরকে ইনসেন্টিভ দিতে পারেন। ইমেইল লিস্ট সংগ্রহ করার বিভিন্ন উপায়ে।  যেহেতু আপনি চান না ইউজার একবার মাত্র আপনার সাইট ভিজিট করে চলে যাক। তাই আপনি আপনার পেজের ট্যাবে একটি “কল টু একশান ” গ্রাফিক ব্যাবহার করতে পারেন। ভিজিটররা যেন খুব সহজে আপনার ফ্যান এর পরিণত হয়ে তাদের ফিডে আপনাকে এড করে তার জন্য তাদেরকে সব রকমের সুযোগ দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *