পড়ালেখা Archives | COMILLAIT| Bangla Technology Blog | বাংলা প্রযুক্তি ব্লগ

মহাসাগর কয়টি ও কি কি? ৫ টি মহাসাগর এবং এদের সব তথ্য

মহাসাগর সম্পর্কিত সব তথ্য নিম্নে Google ও Wikipedia থেকে সংগ্রহ করে দেয়া হল । মহাসাগর মোট ৫ টি। বিস্তারিত নিম্নরূপ : ১) প্রশান্ত মহাসাগর পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্র ‎: ‎165,250,000 km2 (63,800,000 sq mi) গড় গভীরতা : ‎4,280 m (14,040 ft) সর্বোচ্চ গভীরতা ‎: ‎10,911 m (35,797 ft) পানির আয়তন  :  710,000,000 km3 (170,000,000 cu mi) ২) আটলান্টিক মহাসাগর গড় গভীরতা ‎: ‎3,646 m (11,962 ft) পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্র  ‎: ‎106,460,000 km2 (41,100,000 sq mi ) সর্বোচ্চ গভীরতা ‎: ‎8,486 m (27,841 ft) পানির আয়তন ‎: ‎310,410,900 km3 (74,471,500 …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 8 বার দেখা হয়েছে

ক্ষার ধাতু কাকে বল ?

পর্যায় সারণিতে গ্রুপ ১ এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষারধাতু বলে । মূলত এদের ধাতব অক্সাইড / হাইড্রক্সাইড এর ধর্ম ক্ষারীয়( NaO , NaOH , KOH ইত্যাদি ) বলে এদেরকে ক্ষার ধাতু বলা হয় । …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 5 বার দেখা হয়েছে

H কে ক্ষার ধাতু বলা হয় না কেন? । ব্যাখ্যা

হাইড্রোজেন( H ) ধাতু নয় , অধাতু । H একটি গ্যাস। কিন্তু ক্ষার ধাতুর মতো H এর বাইরের শক্তিস্তরে ১টি ইলেক্ট্রন থাকায় পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেনকে তীব্র তড়িৎ ধনাত্মক ক্ষার ধাতু এর সাথে গ্রুপ 1 এ স্থান দেওয়া হয়েছে । এর অক্সাইড ও হাইড্রোঅক্সাইডগুলো ( H2O) তীব্র ক্ষারধর্মী নয় । তাই H কে ক্ষার ধাতু বলা হয় না। …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 7 বার দেখা হয়েছে

ক্ষার ধাতুর যোজনী কত? মৃৎক্ষার ধাতুর যোজনী কত? | ব্যাখ্যা

ক্ষার ধাতুর যোজনী +1; ব্যাখ্যা : ক্ষার ধাতুর ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ শক্তিস্তরে ১ টি ইলেকট্রন থাকে এবং সে ১ টিই দান করতে পারে তাই এর যোজনী +১ । মৃৎক্ষার ধাতুর যোজনী + 2 ; ব্যাখ্যা : মৃৎক্ষার ধাতুর ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ শক্তিস্তরে ২ টি ইলেকট্রন থাকে এবং সে ২ টিই দান করতে পারে তাই এর যোজনী +২ । …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 4 বার দেখা হয়েছে

ক্ষার ধাতু ও মৃৎক্ষার ধাতুর জারন মান পরির্বতন হয় না কেন? | ব্যাখ্যা

মৃৎক্ষার ধাতুর জারন মান পরির্বতন হয় না কেন ? ক্ষার ধাতুর জারন মান পরির্বতন হয় না কেন? ব্যাখ্যা : ক্ষার ধাতু ও মৃৎক্ষার ধাতু গুলো সাধারণত রাসায়নিকভাবে স্থিতিশীল হয় , কারণ এদের সর্বশেষ শক্তিস্তর ইলেক্ট্রন দ্বারা পূর্ণ বা অর্ধপূর্ণ । মূলত অবস্থান্তর মৌলদেরই জারণ মানের পরিবর্তন হয়। যেহেতু ক্ষার ধাতু ও মৃৎক্ষার ধাতু অবস্থান্তর মৌল নয় তাই তাদের জারণ মানের ও কোনো পরিবর্তন হয় না । …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 6 বার দেখা হয়েছে

অন্যান্য ধাতুর চেয়ে পটাশিয়াম(K) বেশি সক্রিয় ধাতু কেন?

পটাশিয়াম(K) কেন অধিক সক্রিয় ধাতু ? ব্যাখ্যা : K এর ভরসংখ্যা ১৯ । Na, K ও Rb এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ : Na(11) = 1s22s22p63s1 [2,8,1] K (19) = 1s22s22p63s23p64s1 [2,8,8,1] Rb(37) = 1s22s22p63s23p63d104s24p65s1 [2,8,18,8,1] এর আগের পর্যায়ের ধাতু Na এর মাত্র ৩ টি শক্তিস্তরে বিন্যস্ত , K হল ৪ টি শক্তিস্তরে বিন্যস্ত এবং পরবর্তী পর্যায়ের Rb ৫ টি শক্তিস্তরে বিন্যস্ত ।Na এর শেষ ইলেকট্রনের জন্য ইলেকট্রনিক আকর্ষণ K এর …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 7 বার দেখা হয়েছে

ডিসি থেকে ওয়াট বের করার সুএ | ক্ষমতার সূত্র

ওয়াট হল ক্ষমতার(power) একক । 1W = 1J / 1s । 1W = 1 VA । ডিসি কারেন্ট থেকে ওয়াট ‘watt’ বের করার সূত্র হল : P = VI এখানে , V = বিভব ও I = ডিসি কারেন্ট …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 2 বার দেখা হয়েছে

পদার্থবিজ্ঞানে কিভাবে km/h কে m/s এ রুপান্তর করতে হয়? + Shortcut

Km/h বা m/s হল বেগ ও দ্রুতির একক।গাড়ির Speedometer বেগ km/h এ দেয়া থাকে। 1 km = 1000 m ও 1 hour = 60*60 s= 3600 s km/h কে m/s এ রুপান্তর করতে নিম্নের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুন :  1 km/h = (1X1000) /  3600 m/s Shortcut : Y km/h = Y/3.6 m/s Y কে 3.6 দ্বারা ভাগ করলে km/h একক m/s এ রুপান্তর হয়ে যাবে । …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 2 বার দেখা হয়েছে

ওয়াইম্যাক্স কি ? WiMax কি ? | প্রশ্ন – উত্তর – বিস্তারিত

ওয়াইম্যাক্স (WiMax) : ওয়াইম্যাক্স (WiMax) হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access(ওয়ার্লডওয়াইড ইন্টারঅপারেবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস) এর সংক্ষিপ্তরুপ। এটি একটি টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি, যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট থেকে শুরু করে পূর্ণাঙ্গ মোবাইল সেলুলার ইত্যাদি বিভিন্ন রকমের তারবিহীন তথ্য আদানপ্রদান করা। মূলত IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী এটি প্রণীত হচ্ছে, যার অপর নাম ওয়ারলেসম্যান। ওয়াইম্যাক্স নামটি দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম। ২০০১ সালে স্টান্ডার্ড অনুযায়ী প্রযুক্তিটির বাস্তবায়ন করার উদ্দেশ্যে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম প্রতিষ্ঠিত হয়। ফোরামের ভাষ্যমতে ওয়াইম্যাক্স হচ্ছে শেষ মাইল পর্যন্ত তারহীন ব্রডব্যান্ড …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 5 বার দেখা হয়েছে

ওয়াইফাই কি ? WiFi কি ? | প্রশ্ন – উত্তর – বিস্তারিত

ওয়াই-ফাই(WiFi) : Wireless Fidelity এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল ওয়াই-ফাই(WiFi) । ওয়াই-ফাই(WiFi) হল ওয়াই ফাই অ্যালায়েন্সের বাণিজ্য-চিহ্ন বা ট্রেডমার্ক। IEEE 802.11 আদর্শের তারহীন স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) ডিভাইস ব্র্যান্ড। …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 10 বার দেখা হয়েছে

ব্লুটুথ কি ? Bluetooth কি ? | প্রশ্ন – উত্তর – বিস্তারিত

ব্লুটুথ কি ? , Bluetooth কি ? Bluetooth কাকে বলে ? ও এর ব্যাখ্যা ব্লুটুথ (Bluetooth) : ব্লুটুথ (Bluetooth) হল Personal Area Network(PAN) , যার মাধ্যমে ১০-১০০মিটার দূরত্বে ডাটা আদান প্রদান করা যায় । এটি ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রোটোকল ।এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হল IEEE 802.15 ।এটি হল ১-১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। ব্লুটুথ (Bluetooth) -এর কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 15 বার দেখা হয়েছে

সমানুপাতিক কি ? সমানুপাতিক বলতে কি বোঝায়?

সমানুপাতিক(proportional) কি : সমানুপাতিক (proportional) : সমানুপাতিক মানে হল কোনো কিছুর মান সমান অনুপাতে পরিবর্তন হবে । বামপক্ষটির সাথে ডানপক্ষটির সমান অনুপাতে মান পরিবর্তন হবে । সমানুপাতিক বলতে কি বোঝায়? সমানুপাতিক বলতে যা বুঝায় : X ∝ Y ; X is proportional to Y. X সমানুপাতিক Y এর মানে হল X ও Y এর মান সমান অনুপাতে পরিবর্তন হবে । X এর বৃদ্ধি ৩ গুন হলে Y এর বৃদ্ধিও ৩ গুন হবে একইভাবে X এর মান ৩ গুন হ্রাস হলে …

| December 26, 2018 |০টি মতামত | 17 বার দেখা হয়েছে

বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি? বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

স্বরবর্ণ ‘এ’ কিংবা ‘ও’-এর মাথায় দাগ নেই সুতরাং ‘এ’ এবং ‘ও’ হল মাত্রাহীন বর্ণ। বাংলা বর্ণমালার মোট ৫০টি বর্ণের দশটি অক্ষর হল মাত্রাহীন । যথা : এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, এবং ঁ। আরও জানুন : বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি? বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ কয়টি?  …

| July 31, 2018 |০টি মতামত | 30 বার দেখা হয়েছে

বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ কয়টি? বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা হল- স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মাথায় সোজা দাগ। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ মোট ৩২টি। যথা : অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ক, ঘ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, দ, ন, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, ষ, স, হ, ড়, ঢ় এবং য়। আরও জানুন : বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি? বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি? …

| July 31, 2018 |০টি মতামত | 43 বার দেখা হয়েছে

বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি?বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা হল- স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মাথায় সোজা দাগ। স্বরবর্ণ ‘এ’ কিংবা ‘ও’-এর মাথায় দাগ নেই সুতরাং ‘এ’ এবং ‘ও’ হল মাত্রাহীন বর্ণ। বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ আটটি। যথা : ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প এবং শ। আরও জানুন : বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ কয়টি?  বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি? …

| July 31, 2018 |০টি মতামত | 52 বার দেখা হয়েছে

ফলা কি? বাংলাতে কতটি “ফলা” রয়েছে? ও কি কি?

প্রশ্ন:  ফলা  কাকে বলে?কতটি “ফলা” রয়েছে? উত্তর  : ফলা  : ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় ফলা । প্রশ্ন: বাংলা বর্ণমালায় ফলা কয়টি? উত্তর  : বাংলাতে ৬ টি ফলা আছে । যথা : ১. ন ফলা। উদাহরণ : ভিন্ন ২.ব ফলা। উদাহরণ : তত্ত্ব ৩.ম ফলা ।  উদাহরণ : তন্ময় ৪.য ফলা ।  উদাহরণ : নিত্য ৫.র ফলা ।  উদাহরণ : প্রথম ৬.ল ফলা।  উদাহরণ : ক্লান্ত   …

| July 31, 2018 |০টি মতামত | 801 বার দেখা হয়েছে

ফটোকপি মেশিন কিভাবে কাজ করে? | প্রশ্ন – উত্তর – বিস্তারিত

অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কিভাবে কাজ করে?  (বিসিএস ১২তম ) Answer: পোলারয়েড ফটোগ্রাফ পদ্ধতিতে  অ্যানালগ পদ্ধতি : প্রথমত ফটোকপি মেশিনে যে গ্লাসটা থাকে সেখানে আপনি আপনার কাগজটি রাখেন। এখানে নিচে থেকে একটা আলো স্ক্যান করে সেই কাগজটিকে।আর এই সময় কি হয় জানেন ? ওই আলো আসে আপনার কাগজের ওপর আর সেখান থেকে সেটি প্রতিফলিত হয়ে চলে যায় নিচে একটি বড় ড্রামের ওপর। এখানে আপনার কাগজে যা আছে প্রতিফলিত আলো ওই একই প্যাটার্নেই থাকবে। আর কাগজ যে একটি আলো স্ক্যান করা …

| July 29, 2018 |০টি মতামত | 20 বার দেখা হয়েছে

বিশ্বখ্যাত সংবাদ সংস্থাগুলো কি কি? | আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার নাম? | প্রশ্ন – উত্তর – বিস্তারিত

বিশ্বখ্যাত সংবাদ সংস্থা ,বিশ্বের যত আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়েছে, বিশ্বখ্যাত সংবাদ সংস্থা ,আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার নাম, বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা ,এএফপি কোন দেশের সংবাদ সংস্থা ,রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা ,সংবাদ সংস্থা কি ,রয়টার কোন দেশের সংবাদ সংস্থা ,বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থার নাম  ইত্যাদি । প্রশ্নঃ বাসস : উত্তরঃ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা প্রশ্নঃ এপি : উত্তরঃ এসোসিয়েটেড প্রেস, যুক্তরাষ্ট্র। প্রশ্নঃ সিনহুয়া : উত্তরঃ চীনের সংবাদ সংস্থা। প্রশ্নঃ রয়টার : উত্তরঃ যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা। প্রশ্নঃ পিটিআই :উত্তরঃ প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া, ভারত। প্রশ্নঃ এ …

| July 29, 2018 |০টি মতামত | 273 বার দেখা হয়েছে

বাঙ্গালী মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছে তাদের নাম কী | প্রশ্ন – উত্তর – বিস্তারিত

    1. প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী হলেন মুসা ইব্রাহীম। তিনি ২০১০ সালে জয় করেন। প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী বাংলাদেশি । মুসা ইব্রাহীম – জন্ম: ১৯৭৯ –সাংবাদিক – বাংলাদেশি ।  ইনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন,যা আমাদের দেশের জন্য গৌরবের । সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী তিনি ২৩ মে ২০১০ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ৫ মিনিটে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। ঈশ্বরী পাড়ওয়ালকে উদ্ধৃত করে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের উপ-মিশনপ্রধান নাসরিন জাহান মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ের তথ্য নিশ্চিত করেন। [তথ্যসূত্র …

| July 29, 2018 |০টি মতামত | 40 বার দেখা হয়েছে

মুসা ইব্রাহীম এর সংক্ষিপ্ত জীবনী | এভারেস্ট জয় ,কিলিমানজারো জয় এর গল্প

মুসা ইব্রাহীম – জন্ম: ১৯৭৯ –সাংবাদিক – বাংলাদেশি ।  ইনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন,যা আমাদের দেশের জন্য গৌরবের । সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী তিনি ২৩ মে ২০১০ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ৫ মিনিটে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। ঈশ্বরী পাড়ওয়ালকে উদ্ধৃত করে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের উপ-মিশনপ্রধান নাসরিন জাহান মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ের তথ্য নিশ্চিত করেন। ২০১০ সালের ২৩ মে মুসা ইব্রাহীম বাংলাদেশ সময় সকাল ৫ টা ১৬ মিনিটে এভারেস্টের চূড়ায় উঠেন এবং বাংলাদেশের …

| July 29, 2018 |০টি মতামত | 44 বার দেখা হয়েছে

প্রথম মহিলা এভারেস্ট বিজয়িনী বাংলাদেশি – নিশাত মজুমদার

নিশাত মজুমদার -জন্ম: ৫ জানুয়ারি, ১৯৮১- বাংলাদেশি । ইনি প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার সকাল নয়টা ৩০ মিনিটে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেছেন । [তথ্যসূত্র : Wikipedia] …

| July 29, 2018 |০টি মতামত | 7 বার দেখা হয়েছে

ওয়াসফিয়া নাজরীন এর সংক্ষিপ্ত জীবনী | সেভেন সামিট, সর্বকনিষ্ঠা এভারেস্ট বিজয়িনী

ওয়াসফিয়া নাজরীন – জন্ম: ২৭ অক্টোবর, ১৯৮২ – বাংলাদেশি পর্বতারোহী। তিনি এখনও পর্যন্ত সর্বকনিষ্ঠ বাংলাদেশী এবং দ্বিতীয় বাংলাদেশী নারী হিসেবে ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ২৬ মে শনিবার সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেষ্টের চুড়ায় আরোহন করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।  বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে ওয়াসফিয়া সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ জয় করেছেন। ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর সকাল ১০টা ১৯ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া অঞ্চল দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার (ওশেনিয়া) …

| July 29, 2018 |০টি মতামত | 10 বার দেখা হয়েছে

এম এ মুহিত এর সংক্ষিপ্ত জীবনী ও পর্বতজয়ের গল্প

এম এ মুহিত বা মোহাম্মদ আবদুল মুহিত – জন্ম: ৪ জানুয়ারি, ১৯৭০- বাংলাদেশী । তিনি ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ২১ মে, দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন। এর আগে ২০১০ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মুসা ইব্রাহীমএভারেস্ট জয় করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।মুহিত, ঐ বছরই মুসার পাশাপাশি এভারেস্ট জয়ের জন্য যান, কিন্তু বিরূপ আবহাওয়ার কারণে তিনি সেবার ব্যর্থ হন। অবশেষে বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং এ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবের একজন সদস্য হিসেবে এভারেস্ট জয়ের লক্ষ্যে আবারও যাত্রা করেন ২০১১ খ্রিস্টাব্দের মার্চ …

| July 29, 2018 |০টি মতামত | 12 বার দেখা হয়েছে

মোহাম্মদ খালেদ হোসেন | এভারেস্ট জয় করে ফেরার পথে মৃত্যুবরণকারী প্রথম বাংলাদেশি

মোহাম্মদ খালেদ হোসেন – জন্ম: ১৯৭৯ – মৃত্যু: ২০ মে ২০১৩ । যিনি সজল খালেদ নামে বেশি পরিচিত, এভারেস্ট জয় করে ফেরার পথে মৃত্যুবরণকারী প্রথম বাংলাদেশি ৷পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়া এভারেস্ট জয় করে নামার পথে ৮,৬০০ মিটার উচ্চতায় ‘অজানা কারণে’ মারা যান তিনি । এর আগে হিমালয়ের মেরা পিক, চুলু ওয়েস্ট ও লান্সিসারি চূড়া জয় করেছিলেন তিনি। খালেদ, ২০১৩ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে বাংলাদেশ থেকে দ্বিতীয়বারের মত এভারেস্ট অভিযানে বের হয়ে, নেপালের সাউথ ফেস দিয়ে ২০ …

| July 29, 2018 |০টি মতামত | 14 বার দেখা হয়েছে

মিশর সুয়েজখাল জাতীয়করণ করেছিল কত সালে? | প্রশ্ন – উত্তর – বিস্তারিত

মিশর সুয়েজখাল জাতীয়করণ করেছিল? (বিসিএস ১২তম ) Answer: ১৯৫৬ সালে সুয়েজ খাল মিশর এর সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল। ইহা ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে। দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়। মিশর সুয়েজখাল জাতীয়করণ করেছিল ১৯৫৬ সালে । উত্তরে ইউরোপ থেকে দক্ষিণে এশিয়া, উভয়প্রান্তে পণ্যপরিবহনে সুয়েজ খাল একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হিসাবে ব্যবহৃত , এতে করে সম্পূর্ণ আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরতে হয়না। খালটি উন্মুক্ত হবার পূর্বে, কখনো কখনো পণ্য জাহাজ থেকে নামিয়ে মিশরের স্থলপথ অতিক্রম করে, ভূমধ্যসাগর হতে লোহিত সাগরে এবং লোহিত …

| July 29, 2018 |০টি মতামত | 6 বার দেখা হয়েছে


বিভাগ সমুহ

কুমিল্লা আইটির সুপার টিউনস