IDM(internet download manager) ফ্রী ডাউনলোড করুন।এর সম্পর্কে সামান্য জানুন। BY BANGLA BHAI


আসসালামুয়ালিকুম।

সবাই ভাল আছেন নিশ্চয়ই ? ভাল না থাকলে সুস্থ হওয়ার জন্য দোয়া করছি ।

আজকে আমি আপনাদের কাছে ডাউনলোড এর জন্য সবচেয়ে ভাল সফটওয়্যার ফ্রীতে দিব ।

সফটওয়্যারটির নাম  IDM বা  INTERNET DOWNLOAD MANAGER.

ডাউনলোড

১.IDM কী?

IDM= Internet Download Manager.

ডাউনলোড এর জন্য এটি পৃথিবীর সবচে ভাল সফটওয়্যার।

CINET DOWNLOAD.COM   এ সফটওয়্যারটির এভারেজ রেটিং ৪।

ভোট পড়েছে ১৭২৬(২৩ মে , ২০১২ পর্যন্ত)।

এ ছাড়াও আপনি গুগলে সার্চ দিলে অন্যান্য ওয়েবসাইটএও এর রেটিং সম্পর্কে জানতে পারবেন।

IDM DOWNLOADER সফটওয়্যারটি Tonec Inc কম্পানি দিয়ে ডেভেলপ করা হয়।

সফটওয়্যারটির ওয়েবসাইট এড্রেস 

দ্রুত এবং সরবচ্চ ইন্টারনেট স্পিড ব্যাবহার করে ডাউনলোড করতে এর বিকল্প নেই কারণ বেষ্ট এর কোন বিকল্প হয়না ।

২. ফ্রী?

দুঃখিত। অপ্রিয় হলেও সত্য এটা ফ্রী না।

ডলার দিয়ে কিনতে হয় যার মূল্য 29.95 $   বাংলা দেশে কত টাকা হবে হিসাব করে  নিয়েন।

Trial version ১ মাস চলে।

পুনরায় ডাউনলোড কুরলেও লাভ নাই।

কাজ করবেনা।বিভিন্ন  ব্লগএ এটি ফ্রীতে(ক্র্যাক ভার্সন) ডাউনলোড করার লিঙ্ক দেয়।

আমিও দিসি।

ডাউনলোড লিঙ্কটা উপরে ফেলে আসছেন।

বিরক্ত হবেনা ।

আবার দিচ্ছি।

৩.কিভাবে ইন্সটল করব?

install করার ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন।নেক্সট নেক্সট ক্লিক করুন।

patch file unzip করে রান করান।patch লেখাটাতে ক্লিক করলে আপনাকে idm ইন্সটল ফাইলটি বের করলে হবে।c ড্রাইভএ programme files এ ক্লিক করুন। এরপর internet download manager ফোল্ডার খুলুন। এর পর সেখানে idm এর আইকনটি ডাবল ক্লিক করুন।

হয়ে গেল ইন্সটল।

না বুঝলে  ভিডিওটা দেখুন

৪.idm কি ইন্টারনেট স্পীড বাড়ায় ?

“”””হ্যা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সম্ভব। ধরুন আপনি ২৫৬ কেবিপিএস (Kbps) এর একটি লাইন ব্যবহার করেন, কিন্তু স্পিড পান২০-২৫ KBps । এর অর্থ এটা নয় প্রভাইডার আপনাকে ২০-২৫ KBps সরবরাহ করছে। লাইনটি শেয়ার করে অনেকে ব্যবহার করার জন্য গড়পড়তায় আপনি ১১-১২ কেবিপিএস পাচ্ছেন।কিন্তু, তাত্বিকভাবে আপনি ০ থেকে-সর্বোচ্চ ২৫৬ kbps পর্যন্ত যেকোনো স্পিড পাবার ক্ষমতা রাখেন।

ডাউনলোড ম্যানেজার IDM একটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডাউনলোড সর্বোচ্চ 10 গুন পর্যন্ত বাড়াতে সক্ষম। বিশেষ প্রযুক্তিটি হচ্ছে, একটি ফাইলকে ভেঙ্গে কয়েক টুকরা করে সেই টুকরো গুলো আলাদা আলাদাভাবে ডাউনলোড করা।

ধরুন, দশজন লোক একটি দরজা দিয়ে বের হবে, তাহলে কিছুটা হলেও সময় বেশি প্রয়োজন।

কিন্তু আপনি যদি 10 টি দরজা বানিয়ে দেন, তাহলে 10 জন লোক একবারেই বেরুতে পারবে। সময় লাগবে কম।

একইভাবে, একটি সার্ভার থেকে আপনি একটি ফাইল নামাতে যে সময় লাগবে, সার্ভারে সেটি 10 টুকরো করে আলাদা আলাদা নামাতে সময় অনেক কম লাগবে।

তবে যেসব সাভার্রে ফাইলকে এভাবে ভাঙ্গা যায়না, সেখানে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে ডাউনলোড স্পিড বাড়ানোর কোনো সুযোগ থাকেনা।

যেসব সাইটে ডাউনলোড রিজিউম বা পজ করা যায়, সেগুলোর সবগুলোই IDM এর এই প্রযুক্তিটি সমর্থন করে ফলে উচ্চগতিতে ডাউনলোড করা যায়।””””(মাফ করবেন।এই অংশটা ইন্টারনেট থেকে কপি করা । )

৫..এটি যে সব ব্রাউজার থেকে ডাউনলোড করতে পারে সেগুলো   ঃ

Internet Explorer

   Netscape

MSN Explorer

aol

Opera

Mozilla

Mozilla Firefox

Mozilla Firebird

avant

 MyIE2

এ ছাড়াও অন্যান্য জনপ্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজারএও IDM support করে।

৬.কি কি প্রক্সি সার্ভার সাপোর্ট করে?

ftp এবং http protocols

৭.ব্যাবহার করব কিভাবে?

Main program window

মেইন মেনুতে যেসব অপশন আছে সেগুলো হলঃ

অ।Add URL: আপনি যে জিনিসটি ডাউনলোড করতে চান তার লিঙ্ক এটাতে অ্যাড করবেন।ওকে ক্লিক করবেন।

আ।Resume:বন্ধ থাকা ডাউনলোড পুনরায় চালু করার জন্য।

ই।Stop:চালু থাকা ডাউনলোড থামানর জন্য।

ঈ। Stop All:চালু থাকা সবগুল ডাউনলোড বন্ধ করার জন্য

উ।Delete:লিস্টে থাকা যে কোন ডাউনলোড ফাইল মুছার জন্য

ঊ।Delete All :লিস্টে থাকা সব ডাউনলোড ফাইল মুছার জন্য

বাকি গুলো নিজে নিজে শিখেন।টাইপ করতে কষ্ট লাগে    😛

Author: techlover

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *