RDBMS এর পূর্ণরূপ কি ?RDBMS এর ১২ টি নীতি কি কি? | বিস্তারিত

RDBMS এর ১২ টি নীতি কে প্রণয়ন করেন ?,কত সালে RDBMS এর ১২ টি নীতি প্রণয়ন করেন ?

RDBMS এর পূর্ণরূপ Relational Database Management System

১৯৮০ সালে ড. কড রিলেশনাল ডাটাবেজ তৈরীর ১২ টি নীতি প্রস্তাব করেন। নীতিগুলো নিম্নরূপ :

  • নীতি ১: সমস্ত ডাটাকে টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে হবে।
  • নীতি ২: প্রতিটি ডাটার একটি অনন্য মান থাকবে, যেনো একই ধরনের ডাটা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরী না হয়।
  • নীতি ৩: তথ্য পুরণের ঘর প্রয়োজনে খালি থাকতে পারবে।
  • নীতি ৪: ডাটাবেজের গঠন প্রকৃতি এবং বর্ণনা, তার সাথেই দেয়া থাকতে হবে।
  • নীতি ৫: ডাটাবেজের সাথে একটি সুনির্দিষ্ট কুয়েরী ভাষা তৈরি করতে হবে। যেনো, ঐ ভাষা ব্যবহার করে নতুন ধরনের তথ্য তৈরী, তথ্য ব্যবস্থাপনা, ট্রান্সফার এবং তথ্যের সামঞ্জস্যতা রক্ষা করা যায় ।
  • পড়ুন : কুয়েরি কি ? কুয়েরী বলতে কি বোঝায়? 
  • নীতি ৬: তথ্যকে বিভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করার সুবিধা থাকতে হবে। অর্থাৎ কুয়েরী ভাষা ব্যবহার করে বিভিন্ন ভাবে তথ্য সাজিয়ে, তা উপস্থাপন করার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  • নীতি ৭: তথ্য সংযোজন, বিয়োজন এবং নবায়ন এর কাজ যেনো উচ্চ পর্যায়ে করা যায়, সেই ব্যবস্থা থাকতে হবে। উচ্চ পর্যায় বলতে বোঝানো হচ্ছে যে, কুয়েরী ভাষা দিয়ে নতুন নতুন রুল তৈরী করে যেন এসব কাজ করা যায়। যেনো, একজন ব্যবহারকারী যেকোন ধরনের সেট গঠন করতে পারেন।
  • নীতি ৮: তথ্যকে হার্ডওয়্যার থেকে পৃথক রাখতে হবে।
  • নীতি ৯: তথ্য উপস্থাপনের প্রক্রিয়া, তথ্য সংরক্ষণের থেকে স্বনির্ভর হতে হবে। অর্থাৎ তথ্যকে যেভাবেই সংরক্ষণ করা হোক, তথ্য উপস্থাপন তার উপর নির্ভর করবে না। এর সুবিধা হলো, যখন তথ্যের সংরক্ষণ অভ্যন্তরীণ কাঠামো পরিবর্তন করতে হবে, তখন আবার নতুন করে, তথ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন হবে না।
  • নীতি ১০: ডাটাবেজের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখার জন্য, ডাটাবেজ ব্যবহারকারীর উপর কিছু সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ থাকবে।
  • নীতি ১১: ডাটাবেজ এমন ভাবে বানাতে হবে, যেনো যদি সেটি একাধিক স্থানে, কম্পিউটারে বা সার্ভারে, অবস্থিত হয়, ব্যবহারকারীর যেনো তা নিয়ে কোন আলাদা শ্রম ব্যয় করার প্রয়োজন না থাকে। অর্থাৎ, একটি ডাটাবেজ একই স্থানে অবস্থিত, না একাধিক স্থানে, তা না জেনেই একজন ব্যবহারকারী যেনো তা ব্যবহার করতে পারেন।
  • নীতি ১২: একটি ডিবিএমএস যদি লো এবং হাই, এ দু লেভেলের ভাষা ব্যবহারেরই ব্যবস্থা রাখে, তাহলে নিশ্চিতকরতে হবে, লো লেভলের ভাষা যেনো হাই লেভেলের ভাষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। অর্থাৎ, লো-লেভেলের ভাষা দিয়ে এমন কিছু করা যাবে না, যা হাই লেভেল ভাষায় নিষিদ্ধ।

সোর্স : Wikipedia

Author: drmasud

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *