প্রাণী বৈচিত্র্য Archives | COMILLAIT| Bangla Technology Blog | বাংলা প্রযুক্তি ব্লগ

এগিয়ে আসুন। নিজেকে গড়ুন। আর্থিক ভাবে বলীয়ান হন।

এগিয়ে আসুন। নিজেকে গড়ুন। আর্থিক ভাবে বলীয়ান হন।

“অনেকেই শুনি অনলাইনে নাকি টাকা উড়ে। তো আমি কেন ধরতে পারিনা??” এই কথা ভাবতে ভাবতে কম্পিউটারের টেবিলে বসে অনেকে মাথায় হাত রাখেন। আর চিন্তায় বিভোর হয়ে যায় এই মাসের নেটের বিলটা কিভাবে দিবো। আরেক পার্টি আছে যারা গুগলে “money earning way” লিখে সার্চ দিতে দিতে কি-বোর্ডে ক্ষয় ধরিয়ে …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ৩০)|লংকাবি বেন্ট টোড গেকো

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ৩০)|লংকাবি বেন্ট টোড গেকো

উত্তর-পশ্চিম মালয়েশিয়ার একটি দ্বীপে ডক্টর লি গ্রিসমার এবং তার দল ২০০৮ সালে এই অনন্য সাধারণ টিকটিকিটি আবিষ্কার করেন। চমৎকার দৃষ্টিশক্তি ব্যবহার করে এরা বনে শিকার ধরে। এই বনের টিকটিকিগুলো সম্প্রতি লাইমস্টোন গুহায় খুঁজে পাওয়ায় এগুলোকে এ দশকের আবিষ্কার বলা হয়েছে। উলেস্নখযোগ্য কিছু পার্থক্য ছাড়া গুহার টিকটিকিগুলো বনের টিকটিকির মতো একই রকম দেখতে। ডক্টর গ্রিসমার …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৯)|ঘোড়া

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৯)|ঘোড়া

প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মানুষ প্রথম ঘোড়াকে নিজেদের কাজে লাগাতে শুরু করে। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত ঘোড়াকে বিভিন্ন জাতের মধ্যে মিশ্রণ ঘটিয়ে মানুষ চেষ্টা করেছে নতুন জাতের উদ্ভাবন করতে। আর মানুষ তা পেরেছেও। কমপক্ষে এমন ১৫০টি শঙ্কর প্রজাতির ঘোড়া আছে ঘোড়া পরিবারে। একেবারে লিলিপুট ফালাবেল্লা প্রজাতি থেকে (৩০ ইঞ্চি) উচ্চতা শুরু করে বিশাল …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৮)|তুয়াতারা

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৮)|তুয়াতারা

আশ্চর্য এক প্রাণী তুয়াতারা। যার বয়স ২০ কোটি বছর। এখনো এ প্রাণীটি বেঁচে আছে। বিজ্ঞানীরা তাই অবাক হয়ে তুয়াতারার নাম দিয়েছেন জীবন্ত জীবাশ্ম। যেমন এ নামে ডাকা হতো সিলাকনথ মাছকে। তেরো কোটি বছর আগের মাছটি জীবিতাবস্থায় প্রথম ধরা পড়েছিল ১৯৩৮ সালে মাদাগাস্কারের উপকূলে। তুয়াতারাকে নিয়ে বিস্ময়ের অন্ত নেই। ডাইনোসরদের চেয়ে অন্তত সাড়ে বারো …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৭)|বড় খাটাশ

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৭)|বড় খাটাশ

নিশাচর প্রাণী বড় খাটাশ ডোরাকাটা এক ভয়ংকর-দর্শন প্রাণী। ধূসর শরীর, তাতে হলুদাভ আভা। সারা গায়ে ধূসর- কালো ডোরা ও ছোপ, লেজের অধিকাংশ ও মুখের কিছু অংশ কালো। শুধু শরীরের মাপ ৮০-৮২ সেমি। লেজ ৪৫-৫০ সেমি, ওজন ৩০-৩৫ কেজি। জেদি, সাহসী, লড়াকু ও শিকারি হিসেবে এরা অবশ্যই স্বীকৃতি পাবে। প্রাণীটি সর্বভুক। মাটিতে পড়া পাকা …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৬)|ফেজারভারিয়া আসমতি

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৬)|ফেজারভারিয়া আসমতি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আলী হাওলাদার বিরল প্রজাতির এক ব্যাঙ আবিষ্কার করেছেন। তার এই আবিষ্কার বাংলাদেশের প্রাণিবিদ্যা চর্চার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নতুন কোনো প্রাণী আবিষ্কারের রেকর্ড করেন। শুধু তাই নয়, তার এই আবিষ্কারের কথা বিশ্বের বিখ্যাত বন্যপ্রাণী বিষয়ক জার্নাল জুট্যাক্সাতে প্রকাশিত হয়েছে। শুরুর কথা সাজিদ ২০০৪ সালে …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৪)|চিতা বিড়াল

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৪)|চিতা বিড়াল

একসময় গাছপালাসমৃদ্ধ গ্রামের ঝোপ- জঙ্গলে দেখা গেলেও এখন সংখ্যায় অনেক কমে গেছে। কেবল দেশের বনাঞ্চলে এই চিতা বিড়ালের (Prionailurus bengalensis) সংখ্যা কিছুটা ভালো। ২০০৭ সালে বিড়ালটিকে লাউয়াছড়া বনে দেখি। এ বছরের প্রথম দিকে লাউয়াছড়া অরণ্যে আবার চিতা বিড়ালের দেখা মিলল। দুপুরের দিকে বিড়ালটি বনের তিন ঘণ্টার ট্রেইলের শেষের দিকে হাঁটাহাঁটি করছিল। স্বভাবে এরা নিশাচর হলেও কখনো …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৩)|পাতাল নাগিনী

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২৩)|পাতাল নাগিনী

অতি দুর্লভ, সুদর্শন ও রহস্যময় এই সাপটির নামও খুব সুন্দর। ‘পাতাল নাগিনী’। এটি নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার স্থানীয় নাম। সাপটি থাকে নদীর তলদেশে। কিছুক্ষণ পর পর শ্বাস নেওয়ার জন্য সরু মাথা-ঘাড়ের প্রায় ১ ফুট অংশ তীরের ফলার মতো জাগিয়ে দেয় পানির ওপর। খুব সুন্দর দৃশ্য সেটা। চরসিন্দুরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতলক্ষ্যার জেলেদের …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২২)|খাঁড়ির কুমির

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২২)|খাঁড়ির কুমির

বিশ্বব্যাপী কুমিরের মোট ২৭টি প্রজাতি আছে। এদের মধ্যে তিনটি ঘড়িয়াল, মিঠা পানির কুমির ও খাঁড়ির কুমির বাংলাদেশের নদী, খাল- বিলে পাওয়া যেত। ৬০-৭০ বছর আগে মিঠা জলের কুমির ও ৩০ বছর আগে ঘড়িয়াল বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কায়ক্লেশে টিকে আছে শুধু খাঁড়ির কুমির। প্রধানত, পূর্ব সুন্দরবনে। পশ্চিম সুন্দরবনে কুমির খুব কম দেখা যায়। খাঁড়ির কুমিরের …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২১)|গণ্ডার

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২১)|গণ্ডার

গণ্ডার স্থলচল প্রাণীর মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম জীব। গায়ে পুরু চামড়ার আস্তরণ আর নাকের উপর খড়ক এই প্রাণীর বৈশিষ্ট্য। …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২০)|কস্তুরী মৃগ

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ২০)|কস্তুরী মৃগ

বিশেষ জাতের পুরুষ হরিণের তলপেটে জন্মানো থলের মধ্যে থাকা এক ধরনের সুগন্ধি দ্রব্যকেই কস্তুরী বলে। এই হরিণের নাম কস্তুরী মৃগ। সাধারণত পাহাড়ি এলাকার হরিণের মধ্যেই কস্তুরী পাওয়া যায়। …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৯)|ওয়ার্ম স্নেক

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৯)|ওয়ার্ম স্নেক

কোয়ার্টার ডলার মুদ্রার ওপর এঁটে গেছে পূর্ণবয়স্ক সাপটি, আমেরিকার এক বিজ্ঞানী জানাচ্ছেন তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম সাপটিকে খুঁজে পেয়েছেন। এর বাস ক্যারিবিয়ান দ্বীপমালার অন্যতম দ্বীপ বার্বাডোজে। সাপটির যখন পূর্ণ বয়স হয়, তখন তার আকার দাড়ায় চার ইঞ্চি বা ১০ সেন্টিমিটার। আমেরিকার পেনস্টেট ইউনিভার্সিটির এস ব্লেয়ার হেজ একজন বিবর্তনবাদী প্রাণীবিজ্ঞানী। বিজ্ঞানী হেজ বলেন, এ সাপটি বার্বাডোজের এক …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৮)|রক্তচোষা

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৮)|রক্তচোষা

নামটা বেশ ভয়ংকর মনে হোলেও রক্তচোষা মোটেও কার রক্ত চুষে খায় না । এরা কোন কিছুকে ভয় পেলে বা ভয় দেখাতে মাথা , ঘার , গলা রক্তের মত লালবর্ণ ধারণ করে । তাই দেখে আমরা ছোটবেলায় মনে করতাম দূর থেকে আমাদের রক্ত চুষে নিচ্ছে রক্তচোষা …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৭)|পিট ভাইপার

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৭)|পিট ভাইপার

র্যাটল সাপ (ইংরেজি ভাষায়: Rattlesnake — উচ্চারণ: র্যাট্ল্স্নেইক) একপ্রকার বিষধর সাপ। এরা Crotalus এবং Sistrurus গণের অধিভু্ক্ত। এরা সেসমস্ত বিষাক্ত সাপের উপপরিবারের অন্তর্গত, যারা সাধারণত পিট ভাইপার নামে পরিচিত। এটি মূলত মরু এবং পাথুরে অঞ্চলের সাপ। পৃথিবীতে র্যাটল সাপের প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৩০। এছাড়া অনেকগুলো উপ- প্রজাতিও রয়েছে। এর র্যাটল নামকরণের কারণ তাঁদের লেজের …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৬)|বাঘডাসা

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৬)|বাঘডাসা

বাঘ ডাসা লেজসহ প্রায় ৩ ফুট লম্বা, ধূসর বাদামী রঙের মাঝে লম্বালম্বি ডোরাকাটা কালো দাগ, মুখটি কুকুরের মতো, ওজন প্রায় ৪ কেজি, প্রাণীটি গেছো প্রকৃতির, চোখ দুটি ভয়ঙ্কর কিন্তু শান্ত স্বভাবের। …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৫)|জিরাফ

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৫)|জিরাফ

জিরাফ একটি বন্য প্রাণী। বনের বিশেষ বিশেষ জায়গায় এদেরকে দলবেঁধে চলাফেরা করতে দেখা যায়। জিরাফের গায়ে আঁকাবাঁকা দাগ থাকে। তবে দুটি জিরাফের গায়ের দাগ কখনোই একরকম হয় না। পৃথিবীর সবচাইতে লম্বা প্রাণী হিসেবে জিরাফের অবস্থান। দৈর্ঘ্য একটি জিরাফ প্রায় ১৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। এছাড়া জিরাফের লম্বা উঁচু বলে উচ্চতম প্রাণীদের কাতারেও জিরাফের অবস্থান …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৪)|মায়া হরিণ

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৪)|মায়া হরিণ

মায়া-মাখা চোখ দুটোর জন্যই হয়ত প্রকৃতি প্রেমী মানুষরা এর নাম দিয়েছিল মায়া হরিণ । আমাদের বাংলাদেশের যে কটি হরিণ পাওয়া যায় তার মধ্যে মায়া হরিণ আকারে ছোট । শরীর ৯০ সেমি. চকচকে মসৃণ লালচে লোমে আবৃত । লেজ ছোট ১৭ সেমি. কালচে রঙ্গা । মায়া হরিণের কপাল হতে শিং পর্যন্ত কালচে V …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৩)|বামন চিক

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১৩)|বামন চিক

আমরা প্রায় সবাই ছুঁচো চিনি বা দেখেছি । রাত হলেই কিচ কিচ শব্দ করে আর নাক উঁচিয়ে এদিক ওদিক করে গন্ধ নেয় খাবারের । বাংলাদেশের প্রায় সব যায়গায় ছুঁচো আছে । তবে ছবির এই ছুঁচোটি সব খানে নেই । বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে এদের বাস । বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী । আকারে …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১২)|গেছ-ভাল্লুক

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১২)|গেছ-ভাল্লুক

দেখতে ভাল্লুকেরমত তাই হয়ত এর নাম গেছ- ভাল্লুক (Binturong), তবে লম্বা লেজ আছে। গায়ের রঙ্গ কালচে, বড় লোমে ঢাকা। লেজ লম্বা শরীরের সমান। শরীরের মাপ ৯০ সেমি. লেজের মাপ ৯০ সেমি. পর্যন্ত হয়। ওজন ২০ থেকে ২২ কেজি হয় । গেছ-ভাল্লুক মূলত বৃক্ষচারী। এরা গাছে থাকতে পছন্দ করে তবে মাটিতেও চলাফেরা করে। …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১১)|চশমাপরা হনুমান

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১১)|চশমাপরা হনুমান

চোখের চারপাশে গোল সাদাটে দাগ থাকায় দূর থেকে মনে হয় যেন চশমা পরেছে । তাই এদের নাম চশমাপরা হনুমান Phayre’s Langur । শরীর কালচে বাদামী , বুকের দিকটা সাদাটে । লেজ লম্বা । বাচ্চারা বাদামী হয় । । শরীরের দৈর্ঘ্য হয় সাধারণত ৫৫ থেকে ৬৫ সেমি., লেজের দৈর্ঘ্য হয় প্রায় ৬৫ থেকে …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১০)|বনরুই

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ১০)|বনরুই

অদ্ভুদ দর্শন বর্মে আবৃত যে কটি বন্যপ্রাণী বাংলাদেশে আছে তার মধ্যে বর্ম ধারী বনরুই সেরা। রুই মাছের আঁশেরমত এরও শরীর বড় বড় আঁশে ঢাকা তাই এর নাম বনরুই (Pangolin) । উই-পিঁপাড়া ভুক এই প্রাণীটি রাতে খুব সক্রিয় । খাবারের সন্ধানে মাঝেমধ্যে দিনেও দেখা যায় । জনন কাল ছাড়া বাকি জীবনটা একাই কাটিয়ে দেয় …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ০৯)|মীরক্যাট

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ০৯)|মীরক্যাট

খাবারের সন্ধানে বের হয়েছে একদল কিন্তু নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবে যদি শুধু খাবার সন্ধান করেই যায় তাহলে তারা নিজেরাই অন্য কারো শিকারে পরিণত হয়ে খাবার হয়ে যাবে। তাই সর্বপ্রথম ভাবতে হয় নিজেদের নিরাপত্তার কথা আর এই নিরাপত্তার কথা ভেবে দলনেতা দলের আকার বুজে একজন বা দুইজনকে ঠিক করে দেন কে নিরাপত্তার কাজটি …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ০৮)|শজার

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ০৮)|শজার

সজারু। শরীরে কাঁটাওয়ালা এ এক অদ্ভুত- দর্শন প্রাণী। স্বাধীনতার আগপর্যন্ত বাংলাদেশের অনেক গ্রামেই এরা টিকে ছিল। এখন আর আছে বলে মনে হয় না। দেশের শালবনগুলোর কোনো কোনোটিতে টিকে আছে বলে জানা যায়। গারো পাহাড়শ্রেণীসহ বৃহত্তর সিলেট-চট্টগ্রামের টিলা-পাহাড়ি বন তথা প্রাকৃতিক বনে টিকে আছে। গর্তজীবী ও নিশাচর এ প্রাণীটিকে দেখার আগে আমি ওদের শরীরের ঝরে পড়া …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ০৭)|বুনো খরগোশ

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ০৭)|বুনো খরগোশ

অতিনিরীহ, ভীতু, বোকা ও অকারণে উত্তেজনায় ভোগা সুন্দর এক প্রাণী হলো বুনো খরগোশ। লম্বা-সুদর্শন কান, টলটলে মায়াবী দুটি চোখ। লম্বা দুই কানে এরা চমৎকার কানতালি বাজাতে পারে। দারুণ লম্ফবিদ। এমনকি লাফ দিয়ে দু-তিন হাত উঁচু বাধা টপকে যেতে পারে অনায়াসে। মানুষ বা কুকুরের ধাওয়া খেলে এরা দৌড়ে গিয়ে কোনো ঝোপঝাড়ে মাথা গুঁজে দিয়ে ভাবে— দেখবে …

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ০৬)|দিকলেঞ্জ

প্রাণী বৈচিত্র্য(পর্বঃ০৬)|দিকলেঞ্জ

চোখ ও মুখমণ্ডল দেখতে অনেকটা বিড়ালের মতো। অবুঝ শিশুর মতোই তার চাহনি। শান্ত ও নিরীহ প্রকৃতির। লম্বা লেজ, শরীরের ধূসর রং, নাক ও ঠোঁট কিছুটা লাল রঙের, কানটি খাড়া এবং এদের রয়েছে ধারালো নখ। এই প্রাণীকে স্থানীয়রা ‘দিকলেঞ্জী’ বলে ডাকে। এটি বিরল প্রজাতির একটি প্রাণী। …



বিভাগ সমুহ

কুমিল্লা আইটির সুপার টিউনস