রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাণী ও উক্তি | রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ quotes

রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাণী ও উক্তি

সকল অসাধারণ রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ quotes,রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাণী ও উক্তি নিয়ে হাজির হলাম । রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এর ভালোবাসা,অনুভতি , শিক্ষামূলক বাণী ও উক্তি নিয়ে এই পোষ্টটি ।

ঢেকে রাখে যেমন কুসুম, পাপড়ির আবডালে ফসলের ঘুম। তেমনি তোমার নিবিঢ় চলা, মরমের মূল পথ ধরে।

পুষে রাখে যেমন কুসুম, খোলসের আবরণে মুক্তোর ঘুম। তেমনি তোমার গভীর ছোঁয়া, ভিতরের নীল বন্দরে

দিয়ো তোমার মালাখানি, বাউলের এই মনটারে

আমি যার শিয়রে রোদ্দুর এনে দেবো বলে কথা দিয়েছিলাম সে আঁধার ভালোবেসে রাত্রি হয়েছে । এখন তার কৃষ্ণ পক্ষে ইচ্ছের মেঘ জোনাকির আলোতে স্নান করে, অথচ আমি তাকে তাজা রোদ্দুর দিতে চেয়েছিলাম

এইভাবে এই শূন্য করতলে আমি কি তোমায় লিখেছিলাম তোমার একান্ত নাম ভালোবাসা, কুয়াশার বিনিদ্র শিশির!

আমাদের বাসনায় ছিলো কিছু ভুলবোধ প্রাপ্যের পূর্ণতা তাই এতো মনে হয় নিঃস্ব করুণ তাই এতো পাওয়াকেও মনে হয় ব্যর্থতা, মনে হয় ম্লান।

তোমাকে অনুবাদ করেছি স্বপ্নে। তোমাকে অনুবাদ করেছি তৃষ্ণায়। তোমাকে অনুবাদ করেছি উদাসিনতায়।

তোমাকে প্রতিদিন লেখার মতো অনেক রকম খবর আছে

দুরত্ব জানে শুধু একদিন খুব বেশি নিকটে ছিলাম

উচিত ছিলো তোমার বাড়ি এক্কেবারে আমার বাড়ির পাশেই হওয়া । জানলা খুলে চোখ দুটোকে মেলে দিলেই দেখতে পাবো টুকিটাকি জিনিশপত্র শোবার ঘরে অলস চুলে বোলাচ্ছ সেই স্নিগ্ধ লাজুক আঙুলগুলো । উচিত ছিলো জানলা খুললে তোমার আমার দেখতে পাওয়া সারাটি ক্ষন ।

উচিত ছিলো । উচিত ছিলো রাত্রিবেলা হাসনুহানার শাড়ির মতো তোমার চুলের গন্ধচূর্ন আবেশ আবেশ ভেসে আসা, উচিত ছিলো তোমার গাওয়া আনমনা গান অসংলগ্ন একটু আধটু শুনতে পাওয়া সম্পূর্ন অলক্ষিতে । উচিত ছিলো তোমার বাড়ি এক্কেবারে আমার বাড়ির পাশেই হওয়া ।

উচিত ছিলো শোবার ঘরে শাড়ির বাঁধন খুলতে গিয়ে আমায় দেখে মুখ লুকানো লজ্জারাঙা স্নিগ্ধ হাসা আঁচল তলে । কিন্তু কপাল তোমার বাড়ি এখান থেকে সেই কতদূর, পুরোপুরি বিশটি মিনিট খরচ কোরে পৌঁছতে হয় এবং যেটা বলতে বাধে তোমার কাছে যেতে হলেই এই বাজারে পুরোপুরি পাঁচটি টাকা!

ভুল ভেঙে গেলে ডাক দিও, আমি মৃত্যুর আলিঙ্গন ফেলে আত্মমগ্ন আগুন ললাটের সৌমতায় তোমার লিখে দেবো একখানা প্রিয় নাম – ভালোবাসা

স্মৃতিগুলো ডাস্টবিনের জঞ্জাল আর আমিই অনুসন্ধানরত আজীবন ডাস্টবিনের ব্যর্থ কাক।

একটা ঠিকানা চাই। যেই ঠিকানায় সপ্তাহ শেষে একটি করে চিঠি দিব……. প্রেম-প্রেম, আবেগে ঠাসা, ভালোবাসায় টইটুম্বুর! হবে একটা ঠিকানা? কারনে অকারনে চিঠি দিব…

তোর সব দুঃখগুলো,তোর সব বিষন্নতাগুলো বুকে নিয়ে একা একা ফিরে যাবো উদাসিন পাখি। এই চোখ,এই স্মৃতি,এই ত্বক,মাংস,হাড় ব্যথার আগুনে পুড়ে ছাই হবে,ভষ্ম হবে- তবু তোর পরাজিত স্বপ্নে আমি কোনদিন আসবো না আর। কোনদিন আসবো না আর আমি এই বিষন্ন পৃথিবী নিয়ে একা একা ফিরে যাবো গভীর নেশায় কোনদিন আসবো না আর,কোনদিন আসবো না আর.

রাত্রি বলবে নেই, নক্ষত্র বলবে নেই শহর বলবে নেই, সাগর বলবে নেই হৃদয় বলবে- আছে

বেদনার পায়ে চুমু খেয়ে বলি এইতো জীবন, এইতো মাধুরী, এইতো অধর ছুঁয়েছে সুখের সুতনু সুনীল রাত!

জেগে আছি, জেগে আছি- যতদূরে যাও জেনো রাত্রির ঘরে আমারো একখানা জানালা আছে, চৈত্রের সব পাখি- সব ফুল- সব প্রতীক্ষারা এই নিশব্দ জানালার কাছে নত হয়ে আসে অঙ্গের সুষমা খুলে যায় সৌরভরাশি।

কাটা আঙুল থেকে রক্তের মতো ঝ’রে ঝ’রে পড়ে ইচ্ছার নীল অক্ষমতা

যেতে যেতে এই বাস থেমে যাবে বকুল তলায় যাত্রীরা পড়বে নেমে যে যার মতোন

যেতে যেতে এই বাস থেমে যাবে বকুল তলায় যাত্রীরা পড়বে নেমে যে যার মতোন

একটি মানুষ খুন কোরে এই তো এলাম আমি প্রার্থনা ঘরে, দ্যাখো শরীরে আমার কি মধুর আতরের ঘ্রান কি মোহন স্বর্গীয় শোভা সারা অবয়ব জুড়ে, আহা, ঈশ্বরই সব মংগল করেন

চোখ কি জানে না আঁখিতে কতোটুকু মেঘ জ’মে আছে? কতোটুকু বর্ষার পূর্বাভাস আছে, কতোখানি বর্ষা না-হওয়া গভীর স্তব্ধতা।

দেবদারু-চুলে উদাসী বাতাস মেখে স্বপ্নের চোখে অনিদ্রা লিখি আমি, কোন বেদনার বেনোজলে ভাসি সারাটি স্নিগ্ধ রাত?

বৈশাখি মেঘ ঢেকেছে আকাশ, পালকের পাখি নীড়ে ফিরে যায় ভাষাহীন এই নির্বাক চোখ আর কতোদিন? নীল অভিমান পুড়ে একা আর কতোটা জীবন? কতোটা জীবন!!

Author: Biddut

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *